আশাকরি সকলেই ভালো আছেন। সুস্থ আছেন। ব্যস্ত আছেন। আমরা যারা ডাইরেক্ট সেলিং বিজিনেসের সঙ্গে যুক্ত। বলা ভালো প্রোডাক্ট বেসড নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর সঙ্গে যুক্ত। তাঁরা ভালোভাবেই জানি বা বুঝি যে প্রোডাক্ট সেলিং এর উপরেই আমাদের ব্যবসা চলে। যত অধিক সংখ্যক বা পরিমানে প্রোডাক্ট সেলিং হবে সেই হিসাবে কমিশন বা ইনকাম আসবে। অবশ্যই বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন হারে / শতাংশ হিসাবে ডিস্ট্রিবিউটরদের মধ্যে ডিস্ট্রিবিউশন করে থাকে। ডিস্ট্রিবিউশন এর উপর বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন প্রকার কন্ডিশন লাগিয়ে রাখে, আবার কেউ কোনো কন্ডিশন লাগিয়ে রাখে না।
ডাইরেক্ট সেলিং বিজিনেসে প্রোডাক্ট বিক্রি করতে হলেও ট্রাডিশনাল বিজিনেস থেকে আমাদের বিজিনেসের প্রার্থক্য এটাই। বেশির ভাগ ডিস্ট্রিবিউটর সরাসরি কাস্টমারদের প্রোডাক্ট বিক্রি করেন না। বেশি ভাবে নেটওয়ার্ক বিল্ড করা বা টীম তৈরি করায় গুরুত্ব দেয়। এবং টিমের মাধ্যমে প্রোডাক্ট সেল হয় । তা প্রথম খরিদারি (Frist purchase) থেকে বা পুনরায় খরিদারি( Repurchase ), যেভাবেই হোক না কেন।
ডাইরেক্ট সেলিং বিজিনেসে গুরুত্বপূর্ণ পৰ্য্যায় হল। প্রোডাক্ট ক্রয় করা । ব্যবহার করা । তারপর অন্যকে রেফার বা রেকমেন্ড কর।
আমরা লোকজনের কাছে প্রোডাক্ট প্রমোশন বা রেকমেন্ড করার সঙ্গে সঙ্গে বিজিনেস অপর্চুনিটি ও তুলে ধরে থাকি। উদ্দেশ্য হল আয়ুর্বেদিক প্রোডাক্ট ব্যবহার করে। হেলথ বা স্বাস্থ্য এর উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কিভাবে ওয়েলথ বা সম্পদ লাভ করতে পারে।
এখানে এক বড় ভূমিকা পালন করে থাকে প্রোডাক্ট। এই প্রোডাক্ট যখন আমরা লোকজনের কাছে প্রমোট করে থাকি। তখন আমাদের অতি অবশ্যই প্রোডাক্ট সম্বন্ধে জানতে হয়। বিভিন্ন ডাইরেক্ট সেলিং কোম্পানি নিজের নিজের হিসাবে প্রোডাক্ট নির্বাচন করে মার্কেটে চালায়। কিন্তু বিভিন্ন কোম্পানি মার্কেটে কাজ করলেও সবার মধ্যে কিছু কমন প্রোডাক্ট দেখা যায়।
আমরা যেহেতু কোন মেডিকেল রিপ্রেসেন্টেটিভে নয়। নয় কোনো ডক্টর। আমরা কেবলমাত্র স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা হিসাবে মানুষজনদের আয়ুর্বেদিক প্রোডাক্ট রেকোমেন্ডেশন করে থাকি। তাই প্রোডাক্ট সম্বন্ধে আমাদের নলেজ রাখা একান্ত আবশ্যিক। প্রোডাক্টটি কি কি উপাদান দিয়ে তৈরি। বিশেষভাবে প্রোডাক্টের রেজাল্ট কি আছে। এর পূর্বে কোন সমস্যাতে কি প্রোডাক্ট ভালো কাজ করেছে। তার টেস্টিমোনিয়াল এবং খুঁটিনাঁটি জ্ঞান থাকা একান্ত প্রয়োজন।
এর জন্য কোম্পানির প্ল্যান সম্বন্ধে নলেজ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রোডাক্ট সম্বন্ধেও নলেজ নিয়ে চলতে হবে। কেননা সামনের ব্যক্তিটি। যাকে আমি প্রোডাক্ট রেকমেন্ড করছি। তাঁর সমস্যার সঙ্গে ম্যাচ করবে সেই প্রোডাক্টই আমাদের রেকমেন্ড করা উচিত। তাতে যেমন একদিকে আমার প্রতি ব্যক্তিটির বিশ্বাস ভরসা বাড়বে। অন্য দিকে অর্থের অপচয় রোধ করা যাবে। মার্কেটে কোম্পানির প্রতি বিশ্বাস যোগ্যতা বাড়বে। তার সঙ্গে আমাদের গুডউইল তৈরি হবে। এবং এইভাবেই আমরা আমাদের বিজিনেসকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবো।
.png)
0 মন্তব্যসমূহ