নমস্কার বন্ধুরা !
আজকে, আমাদের আড্ডাটা এক প্রাণবন্ত বাস্তব, গল্পের মাধ্যমে জমজমাট হয়ে উঠুক। আমি গল্পটা যেদিন শুনেছি। গল্পটি আমার চোখের সামনে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। আমার সযত্নে লালিত ভাবনা চিন্তা,দেখার দৃষ্টিভঙ্গি। এক ঝটকায় ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়েছে। আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে না নেওয়া অবধি থাকতে পারলাম না।
আসুন ভনিতা না করে গল্পতে আসা যাক। হয়ত অনেকেই এর পূর্বে গল্পটি শুনে থাকবেন। তাঁদের জন্য পুনরাবৃত্তি হবে। অন্যদিকে যারা প্রথম বার শুনছেন। তাঁদের চিন্তা ভাবনার দিশা যে ঘুরে যাবে তা আমি হলপ করে বলতে পারি। তাহলে গল্পটি কি -
গল্পটি হল। এক মার্বেল কোম্পানির। আমরা জানি, অনেকেই নতুন বাড়ি তৈরি করার সময় মেঝেতে বা দেওয়ালে মার্বেল বসিয়ে থাকি। শহর অঞ্চলে এটা ফেশান। এছাড়া বাড়ি তৈরি পরিপূর্ণ হয়েছে ভাবতে পারা যায় না। এই রংবেরঙের মার্বেল প্রধানত আসে দেশের রাজস্থান রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। মূলত এই রাজ্যেই মার্বেল তৈরির কারখানা আছে। এবং এই কারখানা গুলোতে ফিনিশড প্রোডাক্ট বানিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যোগান দেয়। কেবলমাত্র দেশে না। বিদেশেও এখান থেকে যোগান যায়।
আমরা অনেকেই জানি। এই মার্বেল তৈরি হয় এক বিশেষ প্রকার খনিজ উপাদান থেকে। আর এই উপাদান রাজস্থান রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মাটির নিচে পাওয়া যায়। বিভিন্ন সংস্থা এর জন্য অনুসন্ধান করে থাকে। কোন অঞ্চলে এই বিশেষ গুনগতমান সম্পন্ন উন্নত খনিজ উপাদান পাওয়া যেতে পারে। সেইমত স্থানে স্থানে মাটি খনন করে। মাটির গভীর থেকে খনিজ উপাদান তুলে কারখানাতে বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফিনিশড প্রোডাক্ট তৈরি করে।
এই প্রকার এক কোম্পনি R.K মার্বেলস। প্রথম অবস্থায় কোম্পানির মালিক স্কুটার বাইক এর পিছনে মার্বেল নিয়ে দোকানে দোকানে মার্বেল বিক্রি করে বেড়াত। এবং মার্বেল তৈরির ভালো মানের খনিজ উপাদান কোথায় পাওয়া যাবে এই প্রত্যাশায়। অন্যান্য কারখানার মালিকের মত বিভিন্ন স্থানে খনন কাজ চালিয়ে যেত।
এই রকম এক প্রতান্ত স্থান। যেখানে অনেক কোম্পানির পক্ষ থেকে খনন কাজ করে থাকে। কিন্তু ভালো মানের খনিজ উপাদান না পেয়ে হতাশ হয়ে ওখান থেকে চলে যায়। R.K মার্বেলের পক্ষ থেকে ঘুরতে ঘুরতে সেই জায়গায় পৌঁছায়। এবং পরিত্যক্ত খনিতে পুনরায় খনন কাজ শুরু করে। খনন কাজ চলতে থাকে। ৫ ফুট, ৮ফুট। এই ভাবে ১০ ফুট পর্যন্ত খনন করে কোনো ভালো উপাদান না পেয়ে হতাশ হয়। এবং অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মত R.K মার্বেলও মাটি খনন কাজ ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
চূড়ান্ত ভাবে ছেড়ে যাওয়ার পূর্বে, মালিক তাঁর গুরুদেবের নিকট যায়। এবং বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তাঁর পরামর্শ চান, এমতাবস্থায় তাঁর কি করা উচিত। গুরুদেব মন দিয়ে সব শুনে পরামর্শ দেন। আরো গভীরে খনন কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য। R.K মার্বেল কোম্পানির মালিক, গুরুদেবের পরামর্শ মত খনন কাজ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এবং খনন কাজ চালিয়ে যেতে থাকে।
এইভাবে খুঁড়তে খুঁড়তে যখন ১৩ ফুট গভীর খনন কাজ পৌঁছে যায়। ঠিক তখনি। হ্যাঁ ঠিক তখন থেকেই, সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মানের খনিজ উপাদান খনিতে দেখতে পেয়ে যায়। যা ভবিষ্যতে, মার্বেলস বাজারে এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটে যায়। এই উপাদান দিয়ে তৈরি মার্বেল কেবলমাত্র দেশের বাজারে ব্যাপক চাহিদা না। বিশ্ব বাজারেও ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়। রাতারাতি R.K মার্বেলস রকেট এর গতিতে উঠতে শুরু করে। প্রচুর মুনাফা অর্জন করে এবং করে চলছে।
হ্যাঁ বন্ধুরা। ১৩ ফুট গভীরে সোনার খনি লুকিয়ে ছিল। যা অন্যান্য কোম্পানির মালিক গন ছেড়ে দেয়। কিন্তু R.K মার্বেলস এর মালিক খনন কাজ চালিয়ে তা পেয়ে যায়। কেবল ১৩ ফুট গভীরে। তাই আমাদের বিজিনেসও খনন কাজ চালিয়ে যেতে হবে। কে বলতে পারে। কিছু দূরেই হয়ত আমাদের জন্য সোনা হীরের খনি অপেক্ষা করছে।
আজকে, আমাদের আড্ডাটা এক প্রাণবন্ত বাস্তব, গল্পের মাধ্যমে জমজমাট হয়ে উঠুক। আমি গল্পটা যেদিন শুনেছি। গল্পটি আমার চোখের সামনে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। আমার সযত্নে লালিত ভাবনা চিন্তা,দেখার দৃষ্টিভঙ্গি। এক ঝটকায় ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়েছে। আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে না নেওয়া অবধি থাকতে পারলাম না।
আসুন ভনিতা না করে গল্পতে আসা যাক। হয়ত অনেকেই এর পূর্বে গল্পটি শুনে থাকবেন। তাঁদের জন্য পুনরাবৃত্তি হবে। অন্যদিকে যারা প্রথম বার শুনছেন। তাঁদের চিন্তা ভাবনার দিশা যে ঘুরে যাবে তা আমি হলপ করে বলতে পারি। তাহলে গল্পটি কি -
গল্পটি হল। এক মার্বেল কোম্পানির। আমরা জানি, অনেকেই নতুন বাড়ি তৈরি করার সময় মেঝেতে বা দেওয়ালে মার্বেল বসিয়ে থাকি। শহর অঞ্চলে এটা ফেশান। এছাড়া বাড়ি তৈরি পরিপূর্ণ হয়েছে ভাবতে পারা যায় না। এই রংবেরঙের মার্বেল প্রধানত আসে দেশের রাজস্থান রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। মূলত এই রাজ্যেই মার্বেল তৈরির কারখানা আছে। এবং এই কারখানা গুলোতে ফিনিশড প্রোডাক্ট বানিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যোগান দেয়। কেবলমাত্র দেশে না। বিদেশেও এখান থেকে যোগান যায়।
আমরা অনেকেই জানি। এই মার্বেল তৈরি হয় এক বিশেষ প্রকার খনিজ উপাদান থেকে। আর এই উপাদান রাজস্থান রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মাটির নিচে পাওয়া যায়। বিভিন্ন সংস্থা এর জন্য অনুসন্ধান করে থাকে। কোন অঞ্চলে এই বিশেষ গুনগতমান সম্পন্ন উন্নত খনিজ উপাদান পাওয়া যেতে পারে। সেইমত স্থানে স্থানে মাটি খনন করে। মাটির গভীর থেকে খনিজ উপাদান তুলে কারখানাতে বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফিনিশড প্রোডাক্ট তৈরি করে।
এই প্রকার এক কোম্পনি R.K মার্বেলস। প্রথম অবস্থায় কোম্পানির মালিক স্কুটার বাইক এর পিছনে মার্বেল নিয়ে দোকানে দোকানে মার্বেল বিক্রি করে বেড়াত। এবং মার্বেল তৈরির ভালো মানের খনিজ উপাদান কোথায় পাওয়া যাবে এই প্রত্যাশায়। অন্যান্য কারখানার মালিকের মত বিভিন্ন স্থানে খনন কাজ চালিয়ে যেত।
এই রকম এক প্রতান্ত স্থান। যেখানে অনেক কোম্পানির পক্ষ থেকে খনন কাজ করে থাকে। কিন্তু ভালো মানের খনিজ উপাদান না পেয়ে হতাশ হয়ে ওখান থেকে চলে যায়। R.K মার্বেলের পক্ষ থেকে ঘুরতে ঘুরতে সেই জায়গায় পৌঁছায়। এবং পরিত্যক্ত খনিতে পুনরায় খনন কাজ শুরু করে। খনন কাজ চলতে থাকে। ৫ ফুট, ৮ফুট। এই ভাবে ১০ ফুট পর্যন্ত খনন করে কোনো ভালো উপাদান না পেয়ে হতাশ হয়। এবং অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মত R.K মার্বেলও মাটি খনন কাজ ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
চূড়ান্ত ভাবে ছেড়ে যাওয়ার পূর্বে, মালিক তাঁর গুরুদেবের নিকট যায়। এবং বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তাঁর পরামর্শ চান, এমতাবস্থায় তাঁর কি করা উচিত। গুরুদেব মন দিয়ে সব শুনে পরামর্শ দেন। আরো গভীরে খনন কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য। R.K মার্বেল কোম্পানির মালিক, গুরুদেবের পরামর্শ মত খনন কাজ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এবং খনন কাজ চালিয়ে যেতে থাকে।
এইভাবে খুঁড়তে খুঁড়তে যখন ১৩ ফুট গভীর খনন কাজ পৌঁছে যায়। ঠিক তখনি। হ্যাঁ ঠিক তখন থেকেই, সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মানের খনিজ উপাদান খনিতে দেখতে পেয়ে যায়। যা ভবিষ্যতে, মার্বেলস বাজারে এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটে যায়। এই উপাদান দিয়ে তৈরি মার্বেল কেবলমাত্র দেশের বাজারে ব্যাপক চাহিদা না। বিশ্ব বাজারেও ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়। রাতারাতি R.K মার্বেলস রকেট এর গতিতে উঠতে শুরু করে। প্রচুর মুনাফা অর্জন করে এবং করে চলছে।
হ্যাঁ বন্ধুরা। ১৩ ফুট গভীরে সোনার খনি লুকিয়ে ছিল। যা অন্যান্য কোম্পানির মালিক গন ছেড়ে দেয়। কিন্তু R.K মার্বেলস এর মালিক খনন কাজ চালিয়ে তা পেয়ে যায়। কেবল ১৩ ফুট গভীরে। তাই আমাদের বিজিনেসও খনন কাজ চালিয়ে যেতে হবে। কে বলতে পারে। কিছু দূরেই হয়ত আমাদের জন্য সোনা হীরের খনি অপেক্ষা করছে।
.png)
0 মন্তব্যসমূহ